আবু বাক্কার সিদ্দিক :-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এনবিআর, যে এনবিআর-এর আয় থেকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাবেক এনবিআর-এর চেয়ারম্যান নজিবুরের দুর্নীতির প্রকল্প ছিলো ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প।
কেনাকাটায় কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেন, যিনি এই প্রকল্পের সর্বনাশ করে নজিবুরের বাসায় খাবার বা বিদেশ ভ্রমনের অর্থের যোগান দিতেন কমিশনার জাকির ।
দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ জাকির ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প অনলাইনের নামে ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যর্থ হয়।
নামে বেনামে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ভ্যাট অনলাইনের কার্যাদেশ কব্জা করে কামিয়েছেন শত কোটি টাকা।
মার্কেটিং বিভাগের জালিয়াতি:
এসির কার্যাদেশ প্রদান করা হয় তার শ্যালকের নামে যেখানে মিডিয়া ব্রান্ডের এসি ৪০ হাজারের টাকার জায়গায় ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় ক্রয় দেখানো হয়েছে। Dhrupadi Techno Consortium Ltd. নামক নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট অনলাইনের দায়িত্ব থেকে কার্যাদেশ প্রদান করে ভ্যাট অনলাইনের প্রকল্পের টাকা দুর্নীতি করেছেন।
ভ্রমণ ও কালো টাকা সাদা করার কৌশল:
বিদেশ ট্যুরের নামে সিনিয়রদের প্রমোদ ভ্রমনে সরকারী লোনের টাকা খরচ করে অনিয়ম ও দুর্নীতি করার পায়তারা চালিয়েছেন।
অবৈধ টাকা সাদা করার জন্য বই লেখক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন, তাতেও কোন ভালো সাড়া পাননি, ভ্যাট জাকিরের বই পাঠকের নজর কাড়তে না পারায় তেমন সাড়া পাননি।
ঘুষ আর দুর্নীতির মাধ্যমে টাকা উপার্জন ছিলো তার নেশা:
সকল দপ্তরে পদায়ন থেকে অনিয়ম এবং দুর্নীতি করে কালো টাকা উপার্জন করেছেন। বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ফেব্রিক্স চালানের জালিয়াতি হতে শুরু করে চট্টগ্রাম ভ্যাট অডিট প্রতিষ্ঠানকে ভয় দেখাতেন কালো টাকা উপার্জনের জন্য। স্ত্রীর নামে একাধিক বন্ড প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানা গেছে। যশোরে ভ্যাট কমিশনার থাকাকালীন তার স্ত্রী স্বর্ণের বারসহ গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ঢাকা বিমানবন্দরের আটক হয়েছিলেন ।
ক্ষমতার অপব্যাবহার:
ঢাকা কাস্টমস কমিশনার থাকাকালীন ক্ষমতা প্রয়োগ করে-’২২ সালে ৩০ লক্ষ টাকায় সদস্য হন বনানী ক্লাবে । পারটেক্স গ্রুপের ভ্যাট নথিতে সুবিধা ভোগ করতে মাত্র-৩০ লক্ষ টাকায় সদস্য পদ দিতে বাধ্য হয় বনানী ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
২০২২ সালে সদস্য পদ নেওয়ার ৩০ লক্ষ টাকা ২৩-২৪ করবর্ষে প্রর্দশন না করে নাম লিখিয়েছেন কর ফাকির খাতায়। এই ধরনের একজন কর ফাকিবাজ, দুর্নীতিবাজের হাতে ভ্যাট/ট্যাক্স/কর আদায় করা কখনোই নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকগণ।
এই দুর্ণীতিবাজ জাকিরের বিরুদ্ধে-দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার অনুসন্ধানি টিম অনুসন্ধান করে জানতে পারে তার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে মাত্র একটি সম্পদের রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। কিন্তু তথ্য বলছে অন্য কিছু। প্রাপ্ত তথ্যমতে জানা যায়, ছাগল কান্ডের মতিউরের মতোই সম্পদ রয়েছে এই কাস্টমস কমিশনার জাকিরের।
অবৈধ সম্পদ স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজনের নামে:
কমিশনার জাকির হোসেনের সম্পদের অনুসন্ধান করে দেখা যায় তার নিজ নামে রাজধানীর বসুন্ধারা আবাসিক এলাকায় ৩ কাঠার একটি প্লট রয়েছে। যার দলিলপত্র দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার অফিসে সংরক্ষিত আছে। তার স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট, প্লটসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে আগামী পর্বে সকল সম্পদের বিবরণ উল্লেখ করা হবে। এবিষয়ে মন্তব্য জানতে একাধিক মাধ্যমে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
