আইনের লোক হয়েও করেছে বেআইনী কাজ নেত্রকোনা ফাঁড়ির কনস্টেবল আল আমিন এর দুর্নীতি ও অপকর্মের শেষ কোথায়? বিধি লঙ্ঘন করে করেন টিকটক।

আতিক  প্রতিনিধি।

জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরেও এই মাদক সম্রাট আল আমিন এর বিরুদ্ধে এখনও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার আশেপাশে মাদক সাপ্লাই দেয়া তার নিত্যদিনের কাজ। এ বিষয়ে স্থানীয় জুয়েল নামে জনৈক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আল আমিন মাদক ব্যবসা কস্টি পাথরের মুর্তি অচল পয়সা’র ব্যবসা উল্লেখযোগ্য। গত ২ বছরে জনৈক মহিলা পুলিশ কনস্টেবল মিম এর সঙ্গে অবৈধভাবে সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এই মিমকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পুলিশের পোষাক নিয়ে টিকটক করা নিত্যদিনের কাজে পরিণত হয়েছে। যা খতিয়ে দেখলে থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়বে। মাদক ব্যবসা আন্ত:জেলা গাজীপুর শ্রীপুর এলাকায় সিন্ডিকেটের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আল আমিন এর বিরুদ্ধে গাজীপুর বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে ৫লক্ষ টাকার একটি যৌতুক মামলা রয়েছে যার নং-১৯৩/১৯৩৪/২০২৫। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মামলার বাদী শেখ নাহিদ ফারহানা বলেছেন আদৌ কি বিচার পাবো। সে বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এ বিষয়ে আল আমিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন পুলিশের আইনে আকাশের যত তারা আমাদের তত ধারা। আমি পুলিশ সব বিষয়ে জেনেই এতকিছু করে থাকি দম্ভ করে বলেন ।

পুলিশের কনস্টেবল আল আমিন এর বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার লিখিত অভিযোগ পুলিশের আইজিপি ও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ প্রশাসন হতাশায় ভুক্তভোগী। এই আল আমিন ঢাকায় আশুলিয়া এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে মাদক কারবারি কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে নিজের আখের গুছায়ছিলেন সে বিষয়ে অভিযোগ হলেও অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এমনকি পুলিশের আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাধর হারুন কমিশনার থাকাকালীন সময় তার অবৈধ কর্মকান্ডের সহযোগী ছিলেন এবং তার গ্রামের বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার যাত্রাটি গ্রামে সুরুজ আলীর ছেলে। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে চাকরি বাণিজ্য এবং মামলা তদ্ববির করে তার বিপুল অর্থের উৎস সম্পর্কে সরকার বাহাদুরের অজানাই রয়ে গেছে। এই আল আমিন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নারীদেরকে টিকটকের নাম করে তাদের সম্ভ্রম হানী করেন। জনৈক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলকে তার সাথে টিকটক করতে দেখা গেছে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেছেন আল আমিন নারী ব্যবসা ও মাদক ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এমনকি ভুক্তভোগী তার স্ত্রী শেখ নাহিদ ফারহানার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেন।

তার অবৈধ পন্থার টাকা দিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে তিন শতক জমি ক্রয় করেন এবং পাওনা টাকার বিষয়ে চাপ দিলে তার স্ত্রী ভুক্তভোগী ফারহানাকে নির্যাতন করেন। গত ২৫ সালে ১১ তারিখে নাহিদ ফারহানাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেন এবং পরবর্তীতে তাকে প্রাণহানীকর ঘটনা ঘটাতে পারে বলে হুমকি প্রদান করে আসছে। ভুক্তভোগী পরিবার বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করলেও অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হলেও নিজেই করে বেআইনী কাজ। তার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে জোর দাবী জানিয়েছে। কনস্টেবল আল আমিন এর বিষয়ে নেত্রকোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন আমি নতুন এসেছি তার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা তদন্ত করে জানাব ও পুলিশ সুপার মো: তরিকুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধিকে বলেন সে যত বড়ই ক্ষমতাধর ব্যক্ত হোকনা কেন অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কোন দ্বিধা করা হবে না তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শেখ নাহিদ ফারহানা, পিতা-হালী মোঃ মহসিন, সাং- পশ্চিম জয়দেবপুর, থানা- সদর মেট্রো, জেলা- গাজীপুর এর স্থায়ী বাসিন্দা।

আমি বিগত ১৬/০৬/২০২০ ইং তারিখে আপনার অধীনস্থ কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন (যাহার বিপি নং-৯২১১১৪৩৩৬৭) পিতা- সুরুজ আলী, সাং-যাত্রাটি কালীবাড়ী, পোঃ কালীবাড়ী, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়ময়নসিংহ, যাহার বর্তমান সাং- শ্রীপুর দক্ষিন পাড়া, পোঃ শ্রীপুর-১৭৪০, থানা- শ্রীপুর, জেলা- গাজীপুর এর সহিত প্রেম ভালোবাসা থেকে পারিবারিক আচার আনুষ্ঠানিকতায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিবাহের পর ০৬ বৎসর দাম্পত্য জীবন কাল চলাকালে আমাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করে, যাহার নাম (নাবিলা ফাল্গুন আঁখি), যাহার বয়স ০২ বৎসর ১০ মাস। আমার কন্যা সন্তহান জন্ম গ্রহণ করার পর দিন থেকেই শ্রীপুরে জমি ক্রয় করার জন্য আমার উপর অত্যাচার নির্যাতন শুরু হয়। তাহার পরিপ্রেক্ষিতে আমার পিতা আমার নামে জমি ক্রয় করার জন্য উক্ত মোঃ আল-আমিন কে টাকা প্রদান করে। সে আমার নামে জমি না দিয়া নিজের নামে রেজিস্ট্রি করিয়া নেয় এবং প্রথমে কিছুদিন ভালো ব্যবহার করিতে থাকে। কিছুদিন ভালো থাকার পর আবার তার নিজ বাড়ীতে ঘর নির্মাণ করার জন্য টাকা দাবী করে। আমি বাধ্য হইয়া আমার ও আমার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করিয়া বাড়ী নির্মাণের জন্য টাকা প্রদান করি। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়র পর থেকে আমার উপর আরো বেশী অত্যচার নির্যাতন শুরু করে।

সে পুলিশের লোক হওয়ায় তাহাকে কিছু করিতে পারিব না মর্মে হুমকী প্রদান করে এবং তাহার কর্মস্থল নেত্রকোনা সদর ফাঁড়ি এবং তাহার বাড়ীতে গেলে আমাকে মারধর করে এবং তালাক দিবে বলিয়া হুমকী প্রদান করে। সে পরনারীতে ও টিকটকে আসক্ত হইয়া আমাকে ও আমার সন্তান কে মারধর করিয়া আমার পিতার বাড়ীতে রাখিয়া যায়। তাহার পর থেকে তাহার মোবাইল, ফেসবুক সহ অন্যান্য সকল যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করিয়া দেয় এবং সে আমার ও আমার সন্তানের কোন খোঁজ খবর নিতেছেনা এবং কোন প্রকার ভরন পোষনও প্রদান করিতেছেনা। এমতাবস্থায় আমি বর্তমানে আমার পিতার বাড়ীতে শিশু কন্যা সন্তান নিয়া জীবন যাপন করিতেছি।